কৃমির ঘরোয়া চিকিৎসা। কৃমি থেকে মুক্তি পাবার কৃমির ঔষধ। আজ থেকে মুক্তি মিলবে।
কৃমির ঘরোয়া চিকিৎসা। কৃমি থেকে মুক্তি পাবার কৃমির ঔষধ। কৃমির অথবা অর্জীর্ণ থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য সকল বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লা।
আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক অনেক ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের এমন একটি টিপস এবং এমন একটি ওষুধ প্রদান করব যেটি দিয়ে আপনারা অনেক অনেক উপকৃত হবেন।
অনেকেই আছেন যাদের পেটে অনেক পরিমাণ অর্জীর্ণ হয় বা কৃমি বলে থাকি। আমরা অনেক সময় কৃমির যন্ত্রণায় অনেক সময় ছটফট করে থাকি।
তারপর দেখা যায়। অনেক সময় পায়খানার রাস্তায় চুলকায় অনেক কষ্ট করতে হয়।
তাই আমি আপনাদের কাছে একটা সহজ ঐষধ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম আপনাদের অনেক উপকারে আসবে আশা করছি ইনশাল্লাহ।
আরো পড়ুনঃ সজনে পাতার রস খেলে শরীরের
চলুন জেনে নেই গাছ গাছড়ার মাধ্যমে ওষুধ প্রস্তুত করার পদ্ধতি গুলো।
চলুন এক এক করে জেনে নেই।
১| হরিতকী ২২ তোলা।
২| সুট ৫ তোলা।
৩| যোয়ান ৫ তোলা।
৪| সৈন্ধব লবন ২ তোলা।
এই সমস্ত উপাদান এক্ষেত্রে মিশিয়ে বেটে মিহি করে আধার তুলা পরিমাণ সকালে এবং রাত্রে ঘুমানোর আগে গরম পানি দিয়ে মিশিয়ে খাবেন এতে করে দেখবেন আপনার সমস্যার সমাধান ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে নিয়মিত খাবেন। কয়েক দিনের মধ্যে আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে । অর্জীর্ণ অথবা কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ।
আরো পড়ুনঃ শক্তিহীন লোকের জন্য ফুরাতে নওজোয়ান হালুয়া।
চলুন দুই নম্বর পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক?
বিটলবন ১ তোলা, কপূর আদাতলা এবং এক পোয়া পানিতে গুলিয়ে প্রত্যহ সকালে এবং রাত্রে আধা ছটাক মাত্রায় সেবন করলে যাবতীয় পেটের কৃমিও অথবা অর্জীর্ণ দূর হয়।
এখন আমরা জানবো তিন নম্বর পদ্ধতি?
এক নম্বর যোয়ান দুই নম্বর মোরী ও বিং সমপরিমাণ নিয়ে। তারপর নিবেন লেবুর রস সমপরিমাণ।
এই সমস্ত কিছু নিয়ে একত্রে মিশিয়ে বেছে নেবেন।
একতোলা পরিমান ১৬ টা বড়ি বানিয়ে নিবেন।
তারপর প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া দাওয়ার পরে একটি করে বড়ি এবং গরম পানি সহ খেয়ে। ঘুমিয়ে পড়বেন এতে করে আপনি অর্জীর্ণ রোগ থেকে মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ।
এখন আমরা জানবো তিন নম্বর পদ্ধতি চলুন জেনে নেই?
প্রথমে নেবেন আমলকি তারপর হরিতকী তারপর বহেড়া ও সৈন্ধব লবন সমস্ত কিছু সমান পরিমাণ নিয়ে পানি দিয়ে মিশিয়ে মিক্স করে একতলা পরিমাণ ১৬ টা ভরি বানিয়ে নিবেন। তারপরে এক একটি ভরি গরম পানি সহ প্রত্যেক দিন রাত্রে ঘুমের আগে খেয়ে নেবেন এতে করে আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
এখন আমরা জানবো চার নম্বর পদ্ধতি?
প্রথমে আপনাকে নিতে হবে আদা হরিতকী চিতামূল ও সৈন্ধব লবন সমানভাবে নিয়ে। সবগুলো একত্রে মিক্স করবেন একটু পানি দিয়ে। মিক্স হয়ে গেলে আদাতোলা পরিমাণ প্রত্যেক দিন রাতে ঘুমানোর আগে খেয়ে নেবেন। একটু গরম পানি সহ। এতে করে আপনার অর্জীর্ণ রোগ বা কৃমির রোগ থেকে মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ।
এখন আমরা জানবো কি কি খেলে আমাদের পেটে বেশি বেশি ক্রিমি হয়। আর কি কি করলে আমাদের পেট থেকে এগুলা একবারে মিশে যাবে। সে সম্পর্কে এখন আমরা বিস্তারিত জানবো।
প্রথমে আমরা জানবো আম ফল সম্পর্কে?
আমঃ খেলে যদি মনে করেন আপনার কৃমি হয়।
তাহলে সাথে সাথে গরম দুধ বা মিছরী খেয়ে নিবেন।
ইক্ষুঃ খেলে যদি মনে করেন আপনার অর্জীর্ণ বা কৃমি হয় তাহলে সাথে সাথে আদা খেয়ে নেবেন।
কাঁঠালঃ খেয়ে অর্জীর্ণ হলে কাঁঠালের বিচি খেয়ে নেবেন।
কলাঃ খেলে অর্জীর্ণ হলে লবণ অথবা ঘি খাবেন।
কমলাঃ খেলে অর্জীর্ণ হলে কমলা খাওয়া শেষ হলেই শুট খাবেন।
কদবেল খেয়েঃ যদি আপনার অর্জীর্ণ বা কৃমি হয় তাহলে সাথে সাথে মোরী খাবেন।
কিসমিসঃ খেলে আপনার যদি অর্জীর্ণ হয় তাহলে গোলাপ নির্যাস খাবেন।
পাপুড়ঃ খেয়ে অর্জীর্ণ হলে তার জন্য কেশুর খাবেন।
কুমড়াঃ কুমড়া খেয়ে অর্জীর্ণ হলে আদা খাবেন।
খেজুরঃ খেলে আপনার যদি অর্জীর্ণ বা কৃমি হয় শুট খাবেন।
আমি আশা করছি আপনারা যদি এই নিয়মগুলো অনুসরণ করেন অথবা এই ওষুধগুলো সেবন করেন ভালো একটি রেজাল্ট পাবেন। আর এই রোগটি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। ইনশাল্লাহ। আমার এই পোস্ট যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই একটি সুন্দর কমেন্টস করে যাবেন। আর কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে অবশ্যই অবশ্যই আমার সঙ্গে কন্টাক করে নেবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন খোদা হাফেজ।


