মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর। সব ধরনের রোগের চিকিৎসায়।
মহান আল্লাহর বরকতে আরেকটি পরীক্ষিত তদবীর। সব ধরনের রোগের চিকিৎসায়।
ইমাম মুসলিম (র) তাঁর সহীহতে, আহমদ (র) তাঁর মুসনাদে, আর ইবনে মাজাহ তার, সুনানে আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ইবনে আদম যখন সাজদার আয়াত
(অথবা সূরা আলিফ-লাম-মীম-সাজদা)
তিলাওয়াত করে তখন শয়তান দূরে সরে যায় আর কাঁদে এবং বলে, আমার জন্যে ধ্বংস, ইবনে আদমকে সাজদার নির্দেশ দেওয়ায় সে সাজদা করেছে। তার জন্যে জান্নাত। আর আমি সাজদার নির্দেশ পেয়ে অবাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমার জন্যে জাহান্নাম।” (সহীহ মুসলিম: ৮১, সুনানে ইবনে মাযাহ: ১০৫২ ও মুস্তাদরাক আহমদ: ২/৪৪০)
আরো পড়ুনঃ রোগকে গালমন্দ করা কি উচিত?
অতএব, রোগী সূরা সাজদা পড়বে এবং আয়তুস সাজদায় এসে সাজদা দেবে, প্রত্যেহ বার বার নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে, তখন সে আরাম বোধ করবে, শয়তান তার নিকট থেকে দূরে সরে যাবে, আর আল্লাহ তাকে রোগ মুক্ত করে দেবেন। সুবহানাল্লাহ
আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "মানুষদের অবস্থা এমন হবে যে, তাদের একজন বলে বসবে, এ আল্লাহ সৃষ্টির স্রষ্টা, তাঁর স্রষ্টা কে? তারা যখন এমনটি বলবে, তখন তোমরা বল,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدُهُ وَلَمْ يُولَدُ وَ لَمْ
يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
বাংলা অর্থঃ
(হে মোহাম্মদ!) আপনি সবাইকে বলুন আল্লাহ তাআলা তিনি এক এবং অদ্বিতীয়, আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, এবং তাহার থেকে কেউই জন্মগ্রহণ করেননি এবং তিনি কাউকে জন্ম দেইনি আর আল্লাহ তায়ালা সমতুল্য কেউ নেই তিনি অদ্বিতীয়।
আরো পড়ুনঃ হাঁপানী রোগের চিকিৎসা।
সব ধরনের রোগের চিকিৎসায়।
জাফরান এবং গোলাপ জল দিয়ে কোনো পাত্রে ৩ বার সূরা ইখলাস লিখবে।
লেখা শুকানোর পর যমযমের পানি দিয়ে তা ধুয়ে নেবে। এ সময় দৈনিক ৩ বার রোগী নিজেও সূরা ফাতেহা পড়বে এবং তিন দিন পর্যন্ত এ পানি পান করবে।
এভাবে যমযমের পানির মধ্যে সাতবার সূরা ফাতেহা পড়বে এবং ১ সপ্তাহ পর্যন্ত ঐ পানি পান করবে। এ সময়ে আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকবে। অনেক রোগীর উপর সূরা ফাতেহা তিলাওয়াতের এ আমল পরীক্ষা করা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর মহান ক্ষমতা এবং রহমতে তাদেরকে সুস্থ করে দিয়েছেন।
ইবনুল কাইয়্যেম (র) বলেন, একবার আমি মক্কায় অসুস্থ হয়ে পড়ি। ডাক্তার এবং ঔষধ কোনোটাই আমি পাচ্ছিলাম না। তখন আমি মক্কায় এভাবে নিজের চিকিৎসা করেছি যে, যমযমের পানি নিতাম এবং এর উপর কয়েকবার করে সূরা ফাতেহা পড়তাম আর ঐ পানি পান করতাম। এর বদৌলতে আলহামদুলিল্লাহ আমি পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করি। এরপর আমি বিভিন্ন রোগজনিত ব্যথায় সূরা ফাতেহার উপর নির্ভর করতাম এবং চূড়ান্ত সুস্থতা অনুভব করতাম।
আরো পড়ুনঃ চিন্তা-পেরেশানি এবং বিষণ্ণতার চিকিৎসা।
সম্মানিত দর্শক-শ্রোতা- আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমার লেখায় কোন ভুল-ভ্রান্তি হয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।


