আমলকির উপকারিতা জানলে আপনার চোখ কপালে উঠবে।
৪। চোখ উঠলে : কাঁচা আমলকী পেষণ করে রস নিষ্কাশনপূর্বক হেঁকে মাঝে মাঝে দুই ফোঁটা করে চোখে দিলে চোখের জ্বালা যন্ত্রণার উপশম হয়।
৫। (ক) চুল উঠলে আমলকী পেষণ পূর্বক মাথায় লেপন করে প্রত্যহ তিন ঘন্টা পর্যন্ত তা মাথায় রাখতে হবে। এভাবে একমাস পর্যন্ত মাথায় ব্যবহার করলে চুল ওঠা বন্ধ হয়।
খ) চুলের গোড়া শক্ত করতে হলে আমলকী পেষণ পূর্বক মাথা লেপন করে প্রত্যহ তিন ঘণ্টা পর্যন্ত তা মাথায় রাখতে হবে। এভাবে একমাস পর্যন্ত মাথায় ব্যবহার করলে চুলের গোড়া শক্ত হয়
(গ) অকালে চুল পাকলে আমলকী পেষণ পূর্বক মাথায় লেপন করে প্রত্যহ তিন ঘন্টা পর্যন্ত তা মাথায় রাখতে হবে। এভাবে একমাস পর্যন্ত মাথায় ব্যবহার করলে অকালে চুল পাকে না।
৬। প্রস্রাবরোধ বা মূত্ররোধ হলে মাটি অথবা পিতলের পানির কলসী যে স্থানে বসান হয় সে স্থানের কিছু মাটি নিয়ে আমলকীসহ উত্তমরূপে পেষণ পূর্বক নাভির চারদিকে ভালভাবে প্রলেপ দিলে, প্রসাব হয়ে থাকে। কিন্তু
মূত্রনালীগত শৃঙ্খলার ফলে যদি প্রস্রাব না হয়, তবে এ ভাবে প্রস্রাব করান যাবে না। কিন্তু শুধু মূত্রাশয়ের গোলযোগের ফলে যদি মূত্রকৃচ্ছতা দেখা দেয় তবে এই প্রক্রিয়ায় আমলকী প্রয়োগ করে বিশেষ সুফল পাওয়া যায়।
৭। প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা বোধ করলে বা মূত্রপথে দাহ সৃষ্ট হলে চার তোলা আমলকীর রস, আধা পোয়া খাঁটি কাঁচা দুধ ও কিছু মিছরিচূর্ণসহ সরবত তৈয়ার করে প্রত্যহ সকাল বেলা ঐ সরবত এক সপ্তাহ পর্যন্ত সেবন করলে বিশেষ সূফল পাওয়া যায়।
৮। শির পীড়া অথবা মাথা ধরা আমলকী, গোলাপ জল, শ্বেতচন্দনসহ উত্তমরূপে পেষণপূর্বক মস্তকে প্রলেপ দিলে শিররোগ বা মাথা ধরা আরোগ্য হয়।
